• বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১
Top Stories
কে বাঁচে, কে মরে, কে সিদ্ধান্ত নেয়? আজ প্রেস ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম Shahidul Alam’s exhibition opens at Rubin Museum in New York Photojournalist Shahidul Alam—who served time for his activism—gets retrospective at the Rubin Museum On Life in Prison সামরিক নজরদারিতে সাংবাদিকতা সাংবাদিকের বয়ানে সংবাদমাধ্যমের সরকার তোষণ জনস্বার্থে সাংবাদিকতার অতীত ঐতিহ্যকে পুনর্বহাল করতে হবে আইসিটি আইনে মামলা ও রিমান্ডের খোঁড়াযুক্তি! অভিনব সংকটে বাংলাদেশের গণমাধ্যম উন্নতিটা অসুস্থ, এড়ানোর উপায় কি করোনার নতুন ধরণ মোকাবিলা; কোন পথে বাংলাদেশ কোভিডে চড়া বাজারদর; টিসিবি এসব কী করছে! নদীর জন্য জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষকরা প্রচলিত আইনে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না: পুলিশের গুলিতে পঙ্গু কাঞ্চন ইসরায়েল প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র কি বদলে যাচ্ছে সিলেটের সাংবাদিক নিজামুল হক লিটনের আত্মহত্যার নেপথ্যে ইসরায়েল প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র কি বদলে যাচ্ছে মহামারিতে স্বল্পমূল্যের চিকিত্সাসেবা বলতে চিকিৎসকরা কি এই বুঝিয়েছিলেন? ইসরায়েলে প্রদর্শনী: ছবি ফিরিয়ে নিলেন শহিদুল আলম ও গিডিয়ান মেন্ডেল কোনোভাবেই চুপ থাকতে রাজি নন সাংবাদিক জীবন ৬ দিনে ৯ মামলা: পুলিশি নির্যাতনের বিচার চান সাংবাদিক ইফতেখার বস্তুনিষ্ঠ স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার গোটা সমাজের গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্যও অপরিহার্য টিকাপ্রদানে বৈষম্যের শিকার শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী পেশী প্রদর্শনে আমলাতন্ত্র আগের চেয়েও বেপরোয়া, মনে করেন ৯২.৬% সাংবাদিক যেন কেটিএস ফিরে এসেছে সেজান গ্রুপের কারখানায় আগামীর কর্মসংস্থান: অচিরেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে নতুন যেসব পেশা আগামীর কর্মসংস্থান: জমজমাট যেসব পেশা অচিরেই যাবে বাতিলের খাতায় আগামীর কর্মসংস্থান: গার্মেন্টসে সংকটে নারী শ্রমিকের পেশাগত ভবিষ্যৎ ‘বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জরুরিভিত্তিতে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন’ সেজান-সজীব গ্রুপের কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: লাশ হস্তান্তরে সমন্বয়হীনতা, স্বজনদের দুর্ভোগ মাল্টিমিডিয়া গ্যালারি অফ দ্রিক

ইসরায়েল প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র কি বদলে যাচ্ছে

জ্যৈষ্ঠ ১২, ২০২১ / Driknews

প্রতিকী ছবি


সংবিধানে নিপীড়িত জাতির পক্ষে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে

সরকারের কৌশলী পদক্ষেপে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের চরিত্র

বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, সামরিক-বাণিজ্যিক স্বার্থ ও বিদেশি প্রভাবেই এমন সিদ্ধান্ত

রাজনীতিকদের মতে, সরকারের পদক্ষেপে গণমানুষের সমর্থন নেই



সামিয়া রহমান

বাংলাদেশ সরকারের ইসরায়েল নীতি কি বদলে যাচ্ছে? বাংলাদেশি নাগরিকরা কি এখন থেকে বিনা বাধায় ইসরায়েল যেতে পারবেন? পাসপোর্ট থেকে ইসরায়েল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি উঠে যাওয়ার পর সবার মনেই এমন প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু সরকারের বক্তব্যে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। পরররাষ্ট্রমন্ত্রী দৃকনিউজকে সরাসরি বলেছেন, ইসরায়েল ভ্রমণে গেলে বাংলাদেশিদের এখনো শাস্তি পেতে হবে, সরকারের নীতিতেও কোন পরিবর্তন আসেনি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার মুখে যাই বলুক, কার্যত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের চরিত্র বদলে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সৃষ্ট বাংলাদেশ শপথ নিয়েছিল বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের পক্ষে থাকার। নতুন রাষ্ট্রের সংবিধানেও প্রতিফলিত হয় সেই অবস্থান। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপনের প্রাক্কালে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, সরকার কি নিপীড়িতের চেয়ে নিপীড়ক রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনেই বেশি আগ্রহী!

 

বাংলাদেশের মহান সংবিধানের ২৫তম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে "জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র (ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; (খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং (গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

 

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আছে কি নেই?

গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে ইস্যুকৃত কিছু ই-পাসপোর্টে দেখা যায়, বাংলাদেশ সরকার নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বক্তব্য পাসপোর্ট থেকে মুছে দিয়েছে। ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার মধ্যেই সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর প্রেক্ষিতে দাবি করে যে, এ বিষয়ে অন্তত ছয় মাস আগে সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতেই এই পরিবর্তন। বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়ার জেরে এক পর্যায়ে বিবৃতির মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলের ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে। এমনকি সেখানে ভ্রমণে শাস্তি হতে পারে।


সরকারের সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য পরস্পর বিপরীতমুখী বলে মনে হলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য তেমনটা মনে করছেন না। দৃকনিউজকে তিনি বলেন, ‘ই-পাসপোর্টের স্ট্যান্ডার্ডাইজেশনের জন্য অল কান্ট্রিজ এক্সসেপ্ট ইসরায়েল ডিলিট করেছি। এই ডিলিট ডাজ নট মিন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সোচ্চার। ইসরায়েলি বাহিনীর সহিংসতার নিন্দাও জানিয়েছে বাংলাদেশ।


পাসপোর্টে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর আবার ভ্রমণের জন্য কিসের শাস্তি, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানান, ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়নি, তাই কেউ ভ্রমণ করলে শাস্তি পেতে হবে।’ তবে এক্ষেত্রে কোনো আইন নেই। কোনো আইনে এই শাস্তি দেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও শাস্তি দিয়েছি। এর আগে সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর সাত বছরের জেল হয়েছে।’ উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে এই সাংবাদিক ইসরায়েল যাওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা এবং ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


        বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন


তবে বিশ্লেষকরা শাস্তির বিষয়টিকে ‘কৌশলী পদক্ষেপ’ হিসেবেই দেখছেন। শাস্তির শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তারা বলছেন, এতদিন যে গোপনীয়তা ছিল, পাসপোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় আগামীতে আর তা থাকবে না। যদি কেউ পাসপোর্ট নিয়ে অন্য কোনো দেশের ইসরায়েলের দূতাবাসে গিয়ে ভিসা পেয়ে যায়, তাহলে তাকে আটকানোর সুযোগ নেই। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে সরকার তার পূর্বেকার পরিষ্কার অবস্থান থেকে সরে আসছে।


বাংলাদেশ যে এক্ষেত্রে কৌশলী পথে অগ্রসর হচ্ছে, বিশ্লেষকরা তা স্বীকার করেন। মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী কিছু দেশ যখন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলছে তখন বাংলাদেশও সেই সুযোগ নিতে পারে বলে মত দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শাহীদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘এটা অনেকটা ট্র্যাক টু ডিপ্লোম্যাসি (অনানুষ্ঠানিক)। স্বীকৃতিও দিচ্ছি না, অস্তিত্ব অস্বীকার করছি না।’


সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাষ্ট্রদূত তৌহিদ হোসেন এ প্রসঙ্গে দৃকনিউজকে বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার সময় নেবে, কারণ দেখবে সব আরব রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলের বিষয়ে কী করে। চাপ না থাকলেও পরিবেশ ও পরিস্থিতির ওপর তা নির্ভর করে। এখন পর্যন্ত ওই পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।’


সরকারের এসব পদক্ষেপে রাষ্ট্রের চরিত্র বদলেরই নির্দেশ মেলে বলে দাবি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান। এ প্রসঙ্গে তিনি দৃকনিউজকে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ তো আসলে একটা নৈতিক শক্তি। সারা পৃথিবীর যেসব মানুষ নিজেদের জাতিসত্ত্বার মুক্তির জন্য লড়াই সংগ্রাম করছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সফলতা তাদের উদ্বুদ্ধ করে। এ কারণে যখন আমাদের সংবিধান হয়, তখন নিজেরাই আমরা সে বিষয়টি সংবিধানে সন্নিবেশিত করি। এটা তো একটা নৈতিক অবস্থান, রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের নৈতিক অবস্থান। তবে এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে তার সেই নৈতিক অবস্থানে আর থাকবে না। পৃথিবীজুড়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মানুষ যে সমর্থনটা আশা করত সেখানে একটা বড় শূন্যতা তৈরি হলো।’


এতে বাংলাদেশের নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে শঙ্কা এই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকের। তার মতে, ‘রাষ্ট্রের শক্তিকে আমরা শুধু অস্ত্র দিয়ে বুঝি না, ভাবমূর্তি দিয়েও বুঝি। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি একটি রাষ্ট্রের জন্য শক্তি হতে পারে। তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর লড়াই কিংবা জাতিসংঘে এই রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে থাকে বাংলাদেশ, সেই জায়গাটা এখন প্রশ্নবিদ্ধ হলো। রাষ্ট্র হিসেবে আমরা আমাদের নৈতিকতা হারিয়েছি।’

 

কেন বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ?

নিপীড়িত রাষ্ট্রের পক্ষে থাকার প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ রাষ্ট্র কেন ভুলে যেতে চাইছে? কেন ইসরায়েলের মতো বিশ্বব্যাপী ‘নিন্দিত’ একটি রাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশকে অবস্থান নিতে হচ্ছে, এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে দৃকনিউজ


ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের এক সাবেক মহাপরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্তে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র বলয়ের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চায়।’ তার মতে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকার নীতিতেই ছিল আরব দেশগুলো। তবে ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক গড়ে তোলার মূল কলকাঠি নেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়েও সামরিক শক্তি ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই ইসরায়েল ইস্যুতে ধারাবাহিকভাবে অবস্থানের পরিবর্তন আনছে মধ্যপ্রাচ্য। পশ্চিমা ও আরব দেশগুলোর নজরে আসতে বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছে।


আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ইসরায়েল গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই জানিয়েছিল ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশের সঙ্গে তারা দ্রুতই কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথে অগ্রসর হচ্ছে, তবে এ দেশটি পাকিস্তান নয়।’ সে সময় সংশ্লিষ্টরা এই দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ বা ইন্দোনেশিয়া থাকতে পারে বলে অনুমান করেছিলেন। সরকারের বর্তমান পদক্ষেপ এবং ‘ছয় মাস আগেই এ সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হয়েছে মর্মে স্বীকারোক্তি থেকে অনুমান করা যায় যে, ইসরায়েল তখন কোন দেশটিকে ইঙ্গিত করেছিল। এ থেকেই বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে, ইসরায়েল তথা নিপীড়ক রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের নীতি বদলের পথেই এগোচ্ছে সরকার।