• রবিবার, জুন ২০, ২০২১
Top Stories
কে বাঁচে, কে মরে, কে সিদ্ধান্ত নেয়? আজ প্রেস ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম Shahidul Alam’s exhibition opens at Rubin Museum in New York Photojournalist Shahidul Alam—who served time for his activism—gets retrospective at the Rubin Museum On Life in Prison কোনোভাবেই চুপ থাকতে রাজি নন সাংবাদিক জীবন সামরিক নজরদারিতে সাংবাদিকতা সাংবাদিকের বয়ানে সংবাদমাধ্যমের সরকার তোষণ জনস্বার্থে সাংবাদিকতার অতীত ঐতিহ্যকে পুনর্বহাল করতে হবে আইসিটি আইনে মামলা ও রিমান্ডের খোঁড়াযুক্তি! অভিনব সংকটে বাংলাদেশের গণমাধ্যম উন্নতিটা অসুস্থ, এড়ানোর উপায় কি করোনার নতুন ধরণ মোকাবিলা; কোন পথে বাংলাদেশ কোভিডে চড়া বাজারদর; টিসিবি এসব কী করছে! নদীর জন্য জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষকরা প্রচলিত আইনে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না: পুলিশের গুলিতে পঙ্গু কাঞ্চন ইসরায়েল প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র কি বদলে যাচ্ছে সিলেটের সাংবাদিক নিজামুল হক লিটনের আত্মহত্যার নেপথ্যে ইসরায়েল প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র কি বদলে যাচ্ছে মহামারিতে স্বল্পমূল্যের চিকিত্সাসেবা বলতে চিকিৎসকরা কি এই বুঝিয়েছিলেন? ইসরায়েলে প্রদর্শনী: ছবি ফিরিয়ে নিলেন শহিদুল আলম ও গিডিয়ান মেন্ডেল বস্তুনিষ্ঠ স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার শুধু সংবাদকর্মীদেরই প্রয়োজন নয়, গোটা সমাজের গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্যও অপরিহার্য মাল্টিমিডিয়া গ্যালারি অফ দ্রিক

সামরিক নজরদারিতে সাংবাদিকতা

মে ৩, ২০২১ / Parvez Ahmad Rony


দুই প্রজন্মের পাহাড়ী সাংবাদিকের কথোপকথন

সমতল ও পাহাড়ে সাংবাদিকতার বাস্তবতায় ভিন্নতা আছে। এই ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমে কর্মরত দুই জন পাহাড়ী সাংবাদিকের এই কথোপকথনটি নথিবদ্ধ করে দৃকের গবেষণা দল। অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের পরিচয় অনুল্লেখিত রাখা হয়েছে। সাক্ষাৎকারটি অনুলিখন করার সময় সামাজিক-পেশাগত পরিচয় নির্ণয়সূচক বক্তব্যসমূহকে বাদ দেয়া হয়েছে।

নবীন সাংবাদিক: আপনি পার্বত্য শান্তিচুক্তির বেশ আগে সাংবাদিকতায় এসেছেন। তখন সাংবাদিকতার পরিবেশ কেমন ছিল?

প্রবীণ সাংবাদিক: পার্বত্য চট্টগ্রামে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সমস্যা, প্রতিবন্ধকতা সকল সময়েই ছিল, আছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির আগেও ছিল, চুক্তি পরবর্তী সময়েও আছে, তবে এখন সমস্যাগুলো ভিন্নতা ধারণ করেছে। এখন সমস্যাগুলো আরও প্রকট। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয় তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে। আমি এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার অনেক আগে থেকেই সাংবাদিকতা করছি। তখন সাংবাদিকতা করতে গিয়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার (আমি স্পষ্ট উল্লেখ করতে চাই না) চাপের মুখে সংবাদ পরিবেশন করতে হতো। কখন যেকোন ধরনের সংবাদ, কীভাবে প্রকাশিত হলে, কোথা থেকে চাপ আসতোÑ তা মনে হয় এক ধরনের ভুতুড়ে, অদৃশ্য কিন্তু ভয়াবহ। নানা সংস্থা থেকে চাপ দেওয়া হতো। তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে দুর্গমতা বড় ধরনের সমস্যা। অর্থনৈতিক সমস্যাও আছে, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তারপর এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলÑ আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ছাড়াও আঞ্চলিক বিভিন্ন সংগঠন আছে (আমি সংগঠনগুলো স্পষ্ট উল্লেখ করতে চাই না, কেন চাই না সেটা সবার জানা)। এ সমস্ত সংগঠনের পক্ষ থেকেও বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হতে হয়, পরোক্ষভাবে ও প্রত্যক্ষভাবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যখন ক্ষমতায় ছিল, ক্ষমতা থেকে যাওয়ার ঠিক প্রাক্কালে তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী ব্যক্তির বিষয়ে আমাকে নিউজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। আমি নিজে উৎসাহিত হয়ে প্রতিবেদনটি করি নাই। আমাকে পত্রিকা থেকে অ্যাসাইন্টমেন্ট দেওয়া হয়েছিল। যাবতীয় যত দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি থেকে শুরু করে দলীয়ভাবে করা যাবতীয় দুর্নীতি তুলে ধরে আমি একটি প্রতিবেদন করি। সেই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে আইনগতভাবে নোটিশ (লিগ্যাল নোটিশ) পাঠানো হয়েছিল। এরপর দলীয়ভাবে আমাকে এমনভাবে আক্রমণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল যে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আত্মগোপনে থাকতে হয়েছিল ওই সময়ে। এটা একটা বাধা।