বুধবার ৪ঠা বৈশাখ ১৪৩১ Wednesday 17th April 2024

বুধবার ৪ঠা বৈশাখ ১৪৩১

Wednesday 17th April 2024

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের দুই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে গৃহীত সিদ্ধান্তের নিন্দা ও বিদ্যায়তনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবীতে

২০২৩-০৫-০৪

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বিবৃতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি একটি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে দু’জন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে দু’টি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী হয়েছে, তিয়াত্তরের অধ্যাদেশের মূলনীতির বিরুদ্ধে গিয়েছে এবং বিদ্যায়তনিক স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিকভাবে একটি উদারপন্থী প্রতিষ্ঠান ও পরিসর, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে, বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ও কর্তাব্যক্তিদের নানান কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হয়েছে তারা প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য ও অঙ্গীকারকে হত্যা করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক এধরনের পদক্ষেপের নিন্দা জানাচ্ছে।

 

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদের ২০০৯ সালে প্রকাশিত একটি বইতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা করা হয়েছে ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃতি ঘটনো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে তিনি ‘জয় বাংলা’র পাশাপাশি ‘জয় পাকিস্তান’ বলেছিলেন কিনা অধ্যাপক আহমেদের বইতে উত্থাপিত সেসংক্রান্ত তথ্য বা তথ্যবিভ্রান্তিকে ঘিরে এই অভিযোগ উঠেছে।   

 

গত ৩০শে এপ্রিল ২০২৩ তারিখের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তে এলপিআরএ থাকা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপককে বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’টি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতিই কেবল দেয়া হয়নি, ভবিষ্যতে যেকোনো একাডেমিক কাজে তার যুক্ত হবার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। কেবল তাই নয়, সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রকাশককে বইটি প্রত্যাহরের আহ্বান জানানো হয়েছে।    

 

একই সভায় সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহর ফেসবুকের একটি পোস্টকে ঘিরে একটি কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়, যাতে বলা হয়েছে যে ওই পোস্টের মাধ্যমে তিনি পাঠ্যপুস্তক, সরকারের শিক্ষানীতি ও ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করার ‘অপপ্রয়াস’ করেছেন। তিনি ইতোমধ্যে এবিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন এবং এধরনের আচরণ করবেন না এরকম লিখিত মুচলেকা প্রদানের সাপেক্ষ তার ‘ক্ষমাপ্রার্থনা’ সিন্ডিকেট সভায় মঞ্জুর করা হয়েছে।

 

আমরা মনে করি, ইতিহাসের একটি মহাবয়ান থাকে, কিন্তু অপরাপর বয়ান সমান্তরালে চালু থাকে। যেমন মুক্তিযুদ্ধ যে একটি জনযুদ্ধ ছিল, তা প্রভাবশালী মহাবয়ানের বিপরীতে আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিতে ঐতিহাসিক বড় ঘটনাকে পাঠ ও বিশ্লেষণ করা একাডেমিক চর্চা ও স্বাধীনতারই অংশ। অধ্যাপক ইমতিয়াজ যদি ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন, তবে আরো বহু সঠিক তথ্যসমৃদ্ধ ঐতিহাসিক রচনাই হতে পারে তার প্রতি জবাব। থিসিস ও পাল্টা থিসিসের মাধ্যমে ঐতিহাসিক সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এক্ষেত্রে নানান শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া কোনো একটি একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিষদের কাজ হতে পারে না।

 

বিশেষত উভয় ক্ষেত্রে সরকারকে সাক্ষী মানা একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে মানায় না। দ্বিতীয় ঘটনাটিতে যদি কিছু হয়ে থাকে, তবে সরকারের ’ভাবমূর্তি’ ক্ষুণ্ণ হয়ে থাকতে পারে । বিক্ষুব্ধ পক্ষের হয়ে উপযাচকের মতো সহকর্মীর কাছ থেকে মুচলেকা আদায় দেখে মনে হয়, বিশ্ববিদ্যালয় যেন পুলিশি প্রতিষ্ঠান হবার দিকে এগুচ্ছে। প্রথম ঘটনাটির ক্ষেত্রে কেবল সহকর্মীকে শাস্তিই দেয়া হয় নি, সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে, অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কি সরকারের পাহারাদার? কয়েকদিন আগেই একটি দৈনিকের একটি প্রতিবেদনকে ঘিরে পত্রিকাটির বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা বিবৃতি প্রদান করেছেন, উপাচার্য মহোদয়ও রাজপথে একই দাবি জানিয়েছেন। অথচ প্রতিবেদককে যে রাতের আঁধারে সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, ২০ ঘণ্টা গুম করে রাখা হয়েছে, সেবিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য ছিল না।  

 

এধরনের ঘটনায় সমাজে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা জন্ম নিচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় ক্ষমতা কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এসেছে, অথচ সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনাকারী শিক্ষক নেতৃবৃন্দ যেন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আগ বাড়িয়ে নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। আমরা মনে করি,  সর্বজনের করের অর্থে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সকল নাগরিকের কাছে দায়বদ্ধ, কোনো সরকার বা রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর কাছে নয়। এটাই সর্বজনের (পাবলিক) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃ্ত সৌন্দর্য। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের যদি সরকারী ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার শক্তি না থাকে, তবে অন্তঃত ক্ষমতাকাঠামোর লেজুড়বৃত্তি থেকে সরে, অধিকতর একাডেমিক কার্যক্রমে নিজেদের যুক্ত করা উচিত। তাতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী-কর্মচারী-শিক্ষক মিলে যে বৃহত্তর বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ, তার মানমর্যাদা যতটুকু অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা পাবে, সকল নাগরিকের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে দায়, তাও পালন হবে।

 

ক্ষমতাবানদের পক্ষে সহকর্মীদের শাস্তি দেয়া নয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাডেমিক স্বাধীনতা রক্ষা করাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।   

 

অনলাইনে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকবৃন্দ:


১। নাসির উদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক, ইংরেজি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
২। তাসনীম সিরাজ মাহবুব, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩। মোঃ মিজানুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৪। আলমগীর মোহাম্মদ, প্রভাষক, ইংরেজি, বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
৫। মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৬। মিম আরাফাত মানব, প্রভাষক, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৭। আ-আল মামুন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৮। মাইদুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, সমাজতত্ত্ব বিভাগ, পিটসবার্গ ইউনিভার্সিটি, সহযোগী অধ্যাপক, সমাজতত্ত্ব বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়  

৯। কাজলী সেহরীন ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 

১০। মোশাহিদা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১১। ফাহমিদুল হক, ভিজিটিং অধ্যাপক, ডিভিশন অব আর্টস, বার্ড কলেজ, যুক্তরাষ্ট্র

১২। আর রাজী, সহকারী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

১৩। রুশাদ ফরিদী, সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪। সাঈদ ফেরদৌস, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৫। কামরুল হাসান মামুন, অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৬। পারভীন জলী, অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৭। মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৮। মীর রিফাত উস সালেহীন, প্রভাষক,  জেনারেল এডুকেশন, ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয় 

১৯। আশীক মোহাম্মদ শিমুল, পোস্টডক্টোরাল রিসার্চ এসোসিয়েট, আইন বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসল, অস্ট্রেলিয়া

২০। মজিবুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২১। দীনা সিদ্দিকী, সহযোগী অধ্যাপক, নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়
২২। মোহাম্মদ আজম, অধ্যাপক, বাংলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৩। মনিরা শরমিন, সহকারী অধ্যাপক, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
২৪। আরাফাত রহমান, সহকারী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞন ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২৫। তাসমিয়াহ তাবাসসুম সাদিয়া, প্রভাষক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস
২৬। মোবাশ্বার হাসান, পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চার, কালচার স্টাডিস ও অরিয়েন্টাল ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অফ অসলো

২৭। সৌভিক রেজা, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২৮। সায়মা আলম, সহকারী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, চট্টগ্রাম বিশ্বিবদ্যালয়
২৯। কাজী মামুন হায়দার, সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৩‌০। খোর‌শেদ আলম, সহযোগী অধ্যাপক, গণ‌যোগা‌যোগ ও সাংবা‌দিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ব‌বিদ‌্যালয় 

৩১। সামিনা লুৎফা, সহযোগী অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৩২। আরিফুজ্জামান রাজীব, সহকারী অধ্যাপক, ইইই, বশেমুরবিপ্রবি

৩৩। রোবায়েত ফেরদৌস, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৩৪। সৌম্য সরকার, সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজী বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

৩৫। কাজী শুসমিন আফসানা, সহযোগী অধ্যাপক, নাট্যকলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

৩৬।  সুকান্ত বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ 

৩৭। নূর ই মকবুল, প্রভাষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 

৩৮। জাকিয়া সুলতানা মুক্তা, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বশেমুরবিপ্রবি, গোপালগঞ্জ
৩৯। গীতি আরা নাসরীন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪০। মোঃ আবদুল মান্নান, অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৪১। হাবিব জাকারিয়া, অধ্যাপক, নাট্যকলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 

৪২। কনক আমিরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক, ফোকলোর বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

৪৩। মঈন জালাল চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক, ইএসএস, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

৪৪। মাহমুদুল সুমন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৪৫। কাজী মারুফুল ইসলাম, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৬। স্বপন আদনান, ভিজিটিং প্রফেসর, ভূগোল ও পরিবেশ, লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্স এন্ড পলিটিক্স (LSE)
৪৭। আবুল ফজল, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৮। কাজী মারুফুল ইসলাম, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৯। নির্ণয় ইসলাম, প্রভাষক, জেনারেল এডুকেশন, ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
৫০। শামীমা আক্তার, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

৫১। সুস্মিতা চক্রবর্তী, অধ্যাপক, ফোকলোর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

Your Comment