বুধবার ৪ঠা বৈশাখ ১৪৩১ Wednesday 17th April 2024

বুধবার ৪ঠা বৈশাখ ১৪৩১

Wednesday 17th April 2024

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

করোনার নতুন ধরণ মোকাবিলা; কোন পথে বাংলাদেশ

২০২১-০৬-২১

সামিয়া রহমান প্রিমা
সিনিয়র রিপোর্টার

করোনার নতুন ধরণ মোকাবিলা; কোন পথে বাংলাদেশ

ভারতে করোনাভাইরাসের নতুন ধরণ ‘ডাবল মিউট্যান্ট’ বি.১.৬১৭ শনাক্ত হয় গত মার্চে। তখনই সে দেশের বিশেষজ্ঞরা জানান, ডাবল মিউটেশনের ফলে এর দ্রুত সংক্রমণ ক্ষমতা অনেক বেশি। কিন্তু দেশটির সরকার ভয়াল এই ধরণকে মোকাবিলায় যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তা ততটা ফলপ্রসূ হয়নি। ফলে বড় ধরনের বিপর্যয় প্রত্যক্ষ করেছে ভারত। টানা বেশ কিছুদিন চার লক্ষের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। চার হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে এক দিনেই।

 

ভারতের এই দুরবস্থা দেখে বাংলাদেশকে কোভিড মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানিয়েছিলেন এ দেশের বিশেষজ্ঞরা। সরকারের দিক থেকে অভিজ্ঞ মতামতকে গুরুত্ব সহকারে আমলে নিতে এখনও দেখা যায়নি। ফলে ইতোমধ্যে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় কোথাও কোথাও কোভিড সংক্রমণ চরম রূপ ধারণ করেছে। নতুন ধরণের উপজাত হিসেবে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসসহ নানা ধরনের রোগের সংক্রমণও দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ- ভারতের মতোই কি বিপর্যয়ের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ?

 

সীমান্তে কী হচ্ছে

 

ভারতে করোনার নতুন ধরণ দেখে বিশ্লেষকরা শুরুতেই জানিয়েছিলেন, সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এর ফলাফল হতে পারে মারাত্মক বিপর্যয়কর। অনুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল দৃকনিউজকে বলেন, “ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টটির অতিরিক্ত সংক্রমণ ক্ষমতা রয়েছে। বি.১.৬১৮ মিউট্যান্টটি মানবদেহে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে। ১৩টি মিউটেশন বহন করা ভ্যারিয়েন্টটি শরীরের বিভিন্ন কোষে সহজে ও অনেক কম সময়েই ছড়িয়ে পড়ছে। ফুসফুস থেকে শুরু করে মানবদেহের এমন কোন কোষ যেখানে এর বিস্তার ক্ষমতা নেই।”

 

বিশেষজ্ঞদের এমন শঙ্কার ফল এরইমধ্যে দেখা যেতে শুরু করেছে। ভারত সংশ্লিষ্ট উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী সাত জেলায় করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। করোনাভাইরাসের নতুন ধরণকে মাথায় রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে লকডাউন আরোপসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

 

 স্থানীয় সাংবাদিক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিটি প্রেসক্লাবের সদস্য জহুরুল ইসলাম আমাদের কাছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। ২৬ মে ২০২১ বুধবার দৃকনিউজকে তিনি বলেন, "আমাদের গত এক সপ্তাহে ২৯৪ জন আক্রান্ত হয়েছে, আর ১১ জন মারা গেছেন। এটা নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। পুরো জেলার জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে, কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয়েছে। এটা মূলত শহরকেন্দ্রিকই হচ্ছে। গ্রামগঞ্জে তেমন কিছু হচ্ছে না। কারণ গ্রামের লোকজন লকডাউনটাকে অত গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা দোকানে চলাফেরা করছেন, মাস্ক ছাড়াই ঘোরাঘুরি করছেন। সেক্ষেত্রে এই লকডাউনকে তারা কর্ণপাত করছেন না।"

 

 

তিনি আরো বলেন, "এই হঠাৎ করে লকডাউন দেয়ার কারণ হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত এক সপ্তাহ ধরে বেশ কিছু রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যারা এখন রাজশাহীতে ভর্তি আছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে ভর্তি আছেন এবং সেইসঙ্গে বিভিন্ন বাসাতেও কিন্তু হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এই জায়গাটা থেকে বলা যায় যে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অবস্থা নাজুক হয়ে গেছে। এবং এই নাজুকতার কারণটাই মূলত মানুষের সামাজিক দূরত্ব না রাখা, সচেতনতা তাদের মধ্যে না থাকা। আর সেই সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাথেই কিন্তু একটা স্থলবন্দর আছে, সেই বন্দর দিয়ে প্রতিদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতের প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ট্রাক প্রবেশ করে। এবং সেখানে হেলপার ড্রাইভার মিলিয়ে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ জন লোক যাতায়াত করে। এই লোকগুলো প্রাথমিকভাবে ইমিগ্রেশনেই কিছুটা হলেও তাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলে, কিন্তু বন্দরের ভেতরে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি তারা মানে না। আর না মানার কারণেই কিন্তু মূলত এই ঘটনাটা ঘটতে পারে।"

 

 

স্থানীয়ভাবে উঠে আসা তথ্যের সঙ্গে একমত বিশ্লেষকরাও। সংক্রমণ হার বিবেচনায় এলাকাভিত্তিক লকডাউনে গুরুত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। সরকারি বিধিনিষেধ কাজ না করায় জনস্বাস্থ্যবিদরা হতাশ। কেউ কেউ বিপর্যয়ের আশঙ্কাও করছেন। স্বাস্থ্যসহ সকল খাতে দুর্নীতিকেই সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দেখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, “শুধু বিধিনিষেধ দিয়ে তো লাভ নেই, যদি না তা মেনে চলা হয়। ওনারা কি চোখ বন্ধ করে কাজ করছে? দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, দরিদ্রদের প্রতি নির্মমতা, এসব কিছুর কারণেই এই দুরাবস্থা। একটি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ যদি শিখতে না চায়, তাহলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে। কপালে দুঃখ আছে।”

 

তবে অনুজীব বিজ্ঞানী ড. সমীর কুমার সাহা মনে করেন, “নতুন ভ্যারিয়েন্ট এখানকার পরিবেশ ও আবহাওয়ায় (ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টির গতিবিধি) অ্যাডজাস্ট করতে কিছুদিন সময় নেবে।”

 

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আতঙ্ক কেন

 

পরিস্থিতি ঘোলা করছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নামক নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব। বিজ্ঞানীদের একাংশের মত, করোনার প্রভাবে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন অনেক ছোটখাটো রোগ এখন আমাদের আক্রান্ত করতে পারছে, যা আগে আমাদের কাবু করতে পারত না। ফলে সাধারণ অনেক রোগও হয়ে উঠছে ভয়াবহ। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও সেই ধারাবাহিকতায় ডেকে আনতে পারে বড় সঙ্কট। ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস না ঠেকাতেই দেখা দিয়েছে 'হোয়াইট' ও 'ইয়েলো ফাঙ্গাস'।  

 

 

বাংলাদেশেও এ পর্যন্ত ২ জনের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে একজন মারা গেছেন। বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের সাথে সরাসরি এর যোগসূত্র নেই। এবং এটি ছোঁয়াচে নয়। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের এতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেনের মতে, “করোনা চিকিৎসায় অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহারই পরবর্তীতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে বিরত থাকতে হবে।”

 

 

কিডনি জটিলতা, ক্যান্সার ও লিভার সিরোসিসের মত যাদের জটিল রোগ আছে তাদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে  আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অনেকদিন ধরে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র-আইসিইউতে চিকিৎসাধীনদের বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। অপরিচ্ছন্ন মাস্ক ব্যবহার একেবারেই নয়।

 

 

এসব তথ্য দেয়া হলেও এর স্বপক্ষে তেমন কোনো শক্তিশালী গবেষণা এখনো হাজির করেনি কেউ। এ থেকেই আবার নানা ধরনের ভুল ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে, যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে সহায়ক বলে মনে করা হয়। উল্লেখ্য, কোভিডের শুরু থেকেই গবেষণার পরস্পরবিরোধী তথ্য সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

সরকার কী করছে

 

ভারতে করোনার নতুন ধরণ শনাক্ত হওয়ার পর সে দেশের সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সঠিক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশেও বিশ্লেষকরা একই অভিযোগ তুলছেন। দুই দেশের করোনা মোকাবিলার গতিপ্রকৃতিতেও রয়েছে সাদৃশ্য।

 

ভারতে যেভাবে বিপর্যয় ঘটল   

 

  1. ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দেয় এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। 
  2. মার্চ মাসের মাঝামাঝি শুরু হয় সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি, যা দ্রুত দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
  3. গত এপ্রিল ও মে মাস জুড়েই দেশটিতে প্রতিদিন লাখ লাখ সংক্রমণ ও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর খবর। হাসপাতালে পৌঁছেও বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে মানুষ।
  4. ভারত টিকা উৎপাদন করায় যথেষ্ট মজুত ছিল। তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ের মাঝে টিকার স্বল্পতা দেখা দেয়। ভেঙে পড়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা দেয়ার কর্মসূচি।
  5. ভারতে সংক্রমণ হার নিম্নগামী থাকার মাঝেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে জানিয়ে সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। অভিযোগ রয়েছে তা আমলে না নিয়ে উল্টো কোভিড মোকাবিলায় সাফল্য প্রচারে ব্যস্ত ছিল কেন্দ্রীয় সরকার।
  6. ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃত্যু ও সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মাঝেই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারণা, জনসভা ও ধর্মভিত্তিক উৎসব ঘিরে লাখ লাখ মানুষের ভিড়, এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণ।

 

বাংলাদেশ যে পথে এগোচ্ছে

 

  1. বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দেয় গত মার্চে।
  2. মার্চে প্রতিদিন সাত হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয় এবং দৈনিক মৃত্যু শতক ছাড়িয়ে যায়।
  3. দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দিলে, রাজধানীতে সারাদেশ থেকে আসা রোগীদের ভিড় বাড়তে থাকে। চাহিদা অনুযায়ি আইসিইউ পায়নি মানুষ। আইসিইউ সংকট এখনো রয়েছে।
  4. বাংলাদেশ গত ফেব্রুয়ারিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরুর পর এপ্রিল নাগাদ টিকার মজুদ ফুরিয়ে যায়। দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তায় রয়েছে প্রায় ১৪ লাখ মানুষ।
  5. ভারতীয় ধরণের বিস্তার ঠেকাতে চলমান ‘বিধিনিষেধ’ দফায় দফায় বাড়ায় সরকার। তবে সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়নি। জনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা শঙ্কা করছেন 'কপালে দুঃখ আছে'!
  6. ভারতে সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী দেখে কৌশলগত নানা পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেন বিজ্ঞানী ও জনস্বাস্থ্যবিদরা। কিন্তু সেসব পরামর্শ আমলে না নিয়ে ঢিলেঢালাভাবেই চলছে 'বিধিনিষেধ'!

 

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বৈধ উপায়ের চাইতে অবৈধভাবেই যাতায়াত বেশি। যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তারপরেও স্বাস্থ্যবিভাগ প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রশাসনিক জনবল ঘাটতির কথাও জানান তিনি। পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে ধারাবাহিকভাবে লকডাউন দেয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।

বিধিনিষেধ ভেঙে পড়ার কারণ জানাতে গিয়ে অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, “এটা মেনে চলতে হবে জনগণকে। মানুষ তো মানছে না। মানুষকে সচেতন হতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন কেউ যাবেন না। কেউ কথা শুনল না। এটার দায় তো আর স্বাস্থ্যবিভাগের ওপর পড়ে না। না মানলে তো করার কিছু নাই।”

 

 তবে অসচেতনতার দায় মানুষকে দিতে নারাজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজীর আহমেদ। তিনি দৃকনিউজকে বলেন, “গত বছর থেকে এ পর্যন্ত সরকারের কর্মকাণ্ডে বোঝা যায় খোদ উচ্চ পর্যায়ের নীতি-নির্ধারকই এর জন্য দায়ী। মূলত স্বাস্থ্যবিভাগের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা এমনভাবে গেঁড়ে বসেছে যে ব্যক্তি পরিবর্তনে সমাধান আসে না।”

Your Comment